বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৩৯ অপরাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
সেন্টমার্টিন নৌ-রুটে মৌসুমের প্রথম যাত্রা: ৮ শতাধিক পর্যটকের উচ্ছ্বাসে প্রাণ ফিরে পেল প্রবাল দ্বীপ টেকনাফে ১১ লাখ ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার হরমুজের কাছে ২টি মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি ইরানের ঝলমলে ত্বকের জন্য ঐশ্বরিয়ার ভরসা মাত্র তিন অভ্যাস যে মোরগের লেজের পালকের দৈর্ঘ্য ৫০ ফুট ঘুরতে যাবেন? জেনে নিন ২০২৭ সালে লম্বা ছুটি পড়বে কোন কোন মাসে সৌদি আরবের সঙ্গে আলোচনা চলছে, জানালো ইরান মিরপুরে টানা তিনদিন ধরে চলছে সংঘর্ষ: জনমনে আতংক ইনানীতে নলকূপ খননে গ্যাস উদগীরণ, মজুত নিরূপণে জরিপ দ্বীপ প্রস্তুত: আজ সেন্টমার্টিন খুললেও যায়নি কোন জাহাজ: চূড়ান্ত অনুমতির অপেক্ষায়

পরিষদ খরচের নামে প্রতি শ্রমিক থেকে ১৫০০ টাকা করে নিচ্ছে তিন ইউপি সদস্য

ভয়েস প্রতিবেদক:

মহেশখালীর কুতুবজোম ইউনিয়নে তিন ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে শ্রমিকের মজুরির টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ তুলেছেন ভুক্তভোগীরা। প্রায় ৪০ জন শ্রমিক থেকে জনপ্রতি ১৫০০ টাকা করে নিয়ে নিয়েছে ওই তিন ইউপি সদস্য। যেসব শ্রমিক টাকা দিতে অপরাগত প্রকাশ করছেন তাদের হুমকি দেয়ারও অভিযোগ উঠেছে।

এসব ঘটনার প্রতিকার চেয়ে শুক্রবার (৪ ফেব্রুয়ারি বিকেলে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে শতাধিক ভুক্তভোগী।

ইউনিয়ন পরিষদ সুত্রে জানা গেছে, গেল বছরের ডিসেম্বরের শুরুতে অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসৃজন কর্মসূচি (ইজিপিপি) প্রকল্পের একশ দিনের কাজ শুরু হয়। এ প্রকল্পে কুতুবজোম ইউনিয়নে প্রায় ৬০০ জন শ্রমিক কাজ করেন। সকাল ৬টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত শ্রম দিয়ে মজুরি হিসেবে দৈনিক ৪শ টাকা পান তারা।

শ্রমিক শফিউল আলম বলেন, প্রায় ৪২ দিন কাজ করার পর মজুরির ৪ হাজার ৮শ টাকা টাকা পাই। টাকা পাওয়ার খবর পেয়ে স্থানীয় তিন ইউপি সদস্য বাড়ি বাড়ি লোক পাঠাচ্ছেন। টাকা আদায় করছেন মো. করিম নামের এক ব্যক্তি।

শ্রমিক নুর হোসেন ও জালাল আহমদ বলেন, তিন ওয়ার্ডের প্রায় ৩০ জন শ্রমিক থেকে ১৫০০ টাকা করে নিয়ে নিয়েছে ওই তিন ইউপি সদস্য। ইউনিয়ন পরিষদের খরচের নাম দিয়ে এসব টাকা আদায় করছে তারা। একাজে ৪নং ওয়ার্ডের মেম্বার জয়নাল আবেদিন, ৬নং ওয়ার্ডের শেকাব উদ্দিন, ৮নং ওয়ার্ডের মেম্বার মাহমুদুল হক জড়িত।

ভুক্তভোগী মো. বদিউল আলম বলেন, গত বৃহস্পতিবার নগদ একাউন্টে মজুরির টাকা জমা হয়। টাকা পাওয়ার কথা শুনে স্থানীয় মো. করিম নামে এক ব্যক্তিকে বাড়ি পাঠায় ৪নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জয়নাল আবেদিন। ওই ব্যক্তি ১৫০০ টাকা দাবি করেন এবং না দিলে শ্রমিকের তালিকা থেকে নাম কেটে দেয়ার হুমকি দেন।

মো. ওসমান বলেন, ইউপি সদস্য মাহমুদুল করিম শুক্রবার বেলা ১২টার দিকে আমার বাবার নাম্বারে কল দেন। আমার পরিবারের দেয়া দুটি কার্ড থেকে ৩ হাজার টাকা নিয়ে তার বাড়িতে যেতে বলেন। না বাকী একমাসের টাকাও দিবে না এবং নাম কেটে দেবে মর্মে হুমকি দেন।

রশিদ মিয়া বলেন, ৫০ জনের একটি দলে আমি কাজ করি। বৃহস্পতিবার বিকেলে নগদ একাউন্টে মজুরির টাকা আসে। করিম নামের এক ব্যক্তি দুপুরে বাড়িতে গিয়েছিল। তখন টাকা ছিল না, সময় নিয়েছি সন্ধ্যায় টাকা দিতে এসেছি। এ ব্যাপারে আমরা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে বিচার চাই।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত ৪নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জয়নাল আবেদিন বলেন, আগে কেউ নিলে নিতে পারে। আমার নাম দিয়ে নিচ্ছে কিনা আমি অবগত নই। এসবে আমি জড়িত নয়।

আরেক অভিযুক্ত ৮নং পয়ার্ডের ইউপি সদস্য মাহমুদুল হক বলেন, শুনেছি আগের চেয়ারম্যান-মেম্বারেরা ১৫০০ টাকা করে নিতো। আমি নির্বাচিত হওয়ার পর কারো থেকে নিইনি।

এ ব্যাপারে কুতুবজোম ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শেখ কামাল বলেন, শ্রমিকদের টাকা তাদের মোবাইল অ্যাকাউন্টে পাঠায়। কোন ইউপি সদস্য যদি টাকা করে সেটা তাদের ব্যক্তিগত ব্যাপার। এ ব্যাপারে আমাকে কেউ অভিযোগ করেনি।

এ বিষয়ে জানতে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রাশেদুল ইসলামকে একাধিকবার ফোন করেও সংযোগ পাওয়া যায়নি।

ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION